মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ০৮:২৭ অপরাহ্ন
“৪০০ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ, কিন্তু সত্যি কি তাই?”
অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাময়িক অব্যাহতি পাওয়া যুগ্ম সদস্য সচিব গাজী সালাউদ্দিন তানভীর বলেছেন, তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যমূলক, প্রমাণ মিললে নিজেই জেলে যেতে রাজি।
বুধবার (২১ মে) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) প্রধান কার্যালয়ে দুই ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদ শেষে গণমাধ্যমকে এ মন্তব্য করেন তিনি। সকাল ১০টা থেকে দুপুর সোয়া ১২টা পর্যন্ত চলে এই জিজ্ঞাসাবাদ।
গাজী সালাউদ্দিন বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও মনগড়া। এতে আমার সামাজিক অবস্থান ও পারিবারিক শান্তি চরমভাবে বিঘ্নিত হয়েছে। আমি চাই, নিরপেক্ষ তদন্ত হোক।”
তিনি আরও বলেন, “গণমাধ্যমে বলা হচ্ছে, ১১০ কোটি টাকার কাগজে নাকি ৪০০ কোটি টাকা দুর্নীতি হয়েছে। এটা কি কোনোভাবেই সম্ভব? কিছুদিন আগেও বলা হচ্ছিল ২৫০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে। এসব হিসাব যেকোনো কোণ থেকে যাচাই করলেই বাস্তবতা পরিষ্কার হবে। পাশাপাশি ৬৪ জেলার ডিসি নিয়োগ তো হয় স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। কারও বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে, বুঝতে হবে তার ক্ষমতা অলৌকিক!”
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, এনসিপির সাবেক এই নেতার বিরুদ্ধে প্রভাব খাটিয়ে তদবির বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, টেন্ডার বাণিজ্যসহ নানাবিধ দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
গত ১৫ মে গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করে চিঠি পাঠায় দুদক।
এর আগে, ২১ এপ্রিল এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব পদ থেকে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়। চলতি বছরে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) পাঠ্যবই ছাপানোর কাগজ কেনায় কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগেই মূলত তার নাম সামনে আসে।